1. admin@dailymuktirshongbadbd.com : Dailymuktirshongbadofficial :
  2. mridapress@gmail.com : mridapress@gmail.com :
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আপনার সংবাদ প্রচারে বিজ্ঞাপন দিন
শিরোনামঃ
হীড বাংলাদেশ নামক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক এর আজ শুভ জন্মদিন বরগুনায় যুদ্ধ অপরাধী ও রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করার দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি/নিউজ বরগুনায় ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা ও ইলিশ উৎসব ২০২২ অনুষ্ঠিত/ মুক্তির সংবাদ গৌরনদীতে অসহায় পরিবারের পানের বরজ ভাংচুর ও জমি দখল, ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে সময়িক রক্ষা মেলে সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন গোল্ডেন ঈগল ওপেন এয়ার স্কাউট গ্রুপের স্কাউট সদস্য মো: তানভীর নেওয়াজ পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ বিষয়ক সাংবাদিকদের /news বকেয়া দুই মাসের বেতন উদ্ধার ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের সহযোগিতায়। কালশী বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আগুন নিভানো ও উদ্ধার কাজে রোভার স্কাউটদের অংশগ্রহণ। পাথরঘাটায় দেওয়ানি মামলা চলমান” জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা বরগুনা জেলা সংবাদদাতা: বরগুনার পাথরঘাটায় জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী ভুমি দস্যু শাহ আলম খান গংদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পাথরঘাটা পৌর সভার ৯নং ওয়ার্ডে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ জব্বার হাওলাদার গংরা মোকাম বরগুনা ,পাথরঘাটা সহকারী জজ আদালতে (স্বত্ত্ব ঘোষণা সহ বন্টন) ৩৪৭ জনকে বিবাদী করে দেওয়ানি মোকদ্দমা নং ১৯৪/২০২১ ইং মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মোকদ্দমা টি চলমান রয়েছে। প্রতিপক্ষ শাহ আলম খান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে জোর পূর্বক জব্বার হাওলাদার গংদের কবলা ও রেকর্ডিও মালিকানা প্রায় ২০০ বছরের ভোগদখলীয় জমি দখলের পাঁয়তারা করেন জানান ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়রা বলেন , দীর্ঘদিন যাবত জব্বার গংরা জমি চাষাবাদ ও বসতবাড়ি নির্মাণ করে আসছে। কিন্তু শাহ আলম গংরা জমি পাবেনা বুঝতে পেরেই এক শ্রেণীর অসাধু কুচক্রী মহলের দ্বারপ্রান্ত হয়ে শাহ আলম খান গংদের পক্ষের মরিয়ম নামের একজন জমির মালিক সেজে কাগজপত্র বিহীন গত ০২ আগষ্ট ২০২২ ইং তরিকুল ইসলাম আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে বায়না রেজিস্ট্রি করে দেন জব্বার হাওলাদার গংদের ভোগদখলীয় জমি । ক্ষমতাসীনরা ভুয়া বায়না কাগজপত্র পেয়ে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে দেওয়ানি বন্টন মামলা চলমান থাকার পরেও তারা জমি দখলের পাঁয়তারা চালায়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ জব্বার হাওলাদার গংরা প্রশাসনের সহযোগিতা চান। তবে অভিযুক্ত শাহ আলম খান গংরা, উল্লেখিত দেওয়ানি মামলায় এপিয়ার হয়েছেন বলে জানান তারা। মুক্তির সংবাদ গাজীপুর মহানগর কাশিমপুর উপজেলার ৩ নং ওয়ার্ড এর মানবতার সেবক ইদ্রিস মোল্লা

মিরপুরে মুক্তিযোদ্ধা হক প্লাজার সাবেক সাধারণ সস্পাদক কাজী আনিসুজ্জামান রক্তাক্ত/

  • আপডেট সময় বুধবার, ১ জুন, ২০২২
  • ৭৬ এতক্ষন দেখবেন

নিউজ ডেস্ক – মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা ক্ষুদ্র সমবায় সমিতি রেজিঃ নং-৯, হক প্লাজা, মিরপুর-১
৩১-০৫-২২ইং তারিখ সকাল ১০:৩০ ঘটিকার সময় মুক্তিযোদ্ধা হক প্লাজার সামনের পশ্চিম উত্তর পার্শ্বে এই মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা হক প্লাজা মার্কেট মালিক সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী আনিসুজ্জামান, হক প্লাজা এর সামনে তার উপর অতর্কিত হামলা হয়। উল্লেখ্য কাজী আনিসুজ্জামানের বাবা মরহুম যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুল হক ছিলেন এই হক প্লাজার সমন্বয়কারী ও সাবেক সভাপতি। তিনি ছিলেন মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ১৯৮১-১৯৯০, ঢাকা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ছিলেন ১৯৯৪-১৯৯৭ পর্যন্ত এবং ১৯৯৮ সালে মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়। ২০০৭ সাল পর্যন্ত এই পদে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বাবা মৃত্যুর পর কাজী আব্দুল হকের মৃত্যুর পর বড় ছেলে কাজী আনিসুজ্জামান পরপর ০৩ বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমান মার্কেটের সামনে ঘটনা¯’লে সরেজমিনে জানা যায় মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা ক্ষুদ্র সবমায় সমিতির মার্কেট হক প্লাজার সামনে অংশের ফুটপাতে ভাসমান হকার চায়ের দোকান, টুপির দোকান বসার কারণে রাস্তায় ফুটপাতের সাধারণ মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হ”েছ ও এই মার্কেটের ভিতরে প্রবেশের পথে বাধা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে মিরপুর ট্রাফিক বিভাগ থেকেও নির্দেশনা দেয়া আছে হক প্লাজা লাগোয়া বাহিরে ফুটপাতের জায়গা দখল করে ষ্ট্যান্ড ঝুলিয়ে রাখে। তাদের কারনে মার্কেটের ভিতরের দোকানে ক্রেতা সাধারণ ভোগান্তির শিকার হয়। গত ৩০/০৫/২২ইং তারিখে মার্কেট কমিটির মৌখিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক মার্কেটের কয়েকজন দোকান মালিক ও দোকান কর্মচারীদের ডেকে বলা হয় আগামীকাল সকালে সিকিউরিটি গার্ডের মাধ্যমে হক প্লাজা মার্কেটের বাহিরের ঝুলন্ত ষ্ট্যান্ড ভাসমান ফুটপাতের দোকান ও তাবুগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য সিকিউরিটি গার্ডের দায়িত্বে দেওয়া হয়। তার ধারাবাহিকতায় পরের দিন সকাল বেলা ৩১-০৫-২০২২ইং তারিখে সিকিউরিটি গার্ড মার্কেটের বাহিরের পাশের ফুটের দোকান ও ঝুলন্ত ষ্ট্যান্ড সরাতে বলে। ফুটপাতের দোকানদারগণ কোন মালামাল সরাতে বলেন কিš‘ তারা কোন কর্ণপাত না করার কারণে সবকিছু সরাতে বলে মার্কেটের বাহিরের দোকান এ এবং বি দোকানের সামনে জুলন্ত স্ট্যান্ড ও তাবু সরাতে থাকে। তখন সিকিউরিটির দায়িত্বের লোকজন তাদের ফুটপাতের দোকান পাশে সরাতে শুরু করেন। তখন মার্কেটের বাহিরের দোকানে এ ও বি এর মালিক ও তার দুই শ্যালক এবং পাশের হকার ফারুকসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জন সিকিউরিটি গার্ড আনসারের উপর চড়াও হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। এমন পরি¯ি’তি সৃষ্টি হলে সিকিউরিটি গার্ড আনসার সদস্য মার্কেট কমিটির সভাপতি কাজী আরিফুজ্জামান তরু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মার্কেট কাজী আনিসুজ্জামানকে ফোন করে বিষয়টি জানান তার কিছুক্ষন পরেই মার্কেটের সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মার্কেট মালিক সদস্য কাজী আনিসুজ্জামান রিক্সা থেকে মার্কেটের সামনে এসে নামেন। উপ¯ি’ত জড়ো লোকজনদের মার্কেটের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এমন সময় বাহিরের দোকান মালিক কাজী মনির ও তার সহযোগীরা কাজী ওমর ফারুক, কাজী নজরুল ইসলাম, আনিস খান সহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দলএসে কাজী আনিসুজ্জামানের উপর দেশী অস্ত্র প্রদর্শন করে ও হাতুরী দিয়ে এলোপাথারী আঘাত শুরু করে ও হুমকি দেয় পরবর্তীতে দেখিয়ে দিবে। তাদের আঘাতে হক প্লাজার সাবেক সাধারণ সম্পাদকের মাথা ফেটে যাওয়ায় অনেকগুলো সেলাই দেয়া হয়। বর্তমানে সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন। শুধু তাকে হামলা করেই ক্ষান্ত হননি হক প্লাজা মার্কেট কমিটির ক্যাশিয়ার সোহরাব হোসেন খান ও ইলেকট্রিক মিস্ত্রী মনা গাজীসহ আরো ৩-৪ জনকে আহত করে। হক প্লাজা মার্কেটের বাহিরের এ ও বি দোকান মালিক তার দোকান রেখে হামলা করার কারণে ভয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মার্কেট কমিটি সিকিউরিটি গার্ডের মাধ্যমে উপ¯ি’ত মার্কেটের দোকান মালিক সদস্যদের সামনে এ ও বি দোকান তালাবদ্ধ করা হয়। এই হামলার বিষয়ে দারুস সালাম থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্ত অফিসার ইনচার্জ দারুস সালাম ঘটনা¯’লে তদন্ত করেন।
কাজী আনিসুজ্জামানের বাবার মৃত্যুর পর থেকেই কাজী মনির, কাজী ওমর ফারুক, কাজী নজরুল ইসলাম, আনিস খান তারা দাবি করেন হক প্লাজা মার্কেট সদস্য শেয়ারের সাথে সম্পৃক্ত আছেন দাবী করে। কিš‘ বাস্তবে দেখা গেলে তারা কোন সঠিক কাগজ পত্র প্রদর্শন করতে পারেনি। বরং মার্কেট তৈরীর সময় তাদের এক এক করে পরপর ০৩টি চিঠি দেওয়ার পরও তাদের শেয়ারের অনুক‚লে অর্থ পরিশোধ করে নাই। অর্থ পরিশোধ না করার কারণে উল্লেখিত শেয়ার কারীরা স্বে”ছায় স্বাক্ষর করে চলে যায় ও সমবায় নীতিতে তামাদি হয়। যা রেজুলেশন আকারে ও চিঠিগুলো সংরক্ষিত আছে। এ বিষয়ে সময় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও অবহিত আছেন। বিভাগীয় সমবায় কার্যালয়ে সমবায় অফিসের তদন্তের চিঠি ফটোকপি বিভিন্ন দোকানে বিলি করে একটি অরাজক শান্তি শৃঙ্খলা অবনতি করে চলছে। বাস্তবে দেখা যা”েছ তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এমন পরি¯ি’তি সৃষ্টির পায়তারা করে যেমন ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার মত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর

পাথরঘাটায় দেওয়ানি মামলা চলমান” জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারা বরগুনা জেলা সংবাদদাতা: বরগুনার পাথরঘাটায় জোরপূর্বক জমি দখলের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী ভুমি দস্যু শাহ আলম খান গংদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি পাথরঘাটা পৌর সভার ৯নং ওয়ার্ডে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ জব্বার হাওলাদার গংরা মোকাম বরগুনা ,পাথরঘাটা সহকারী জজ আদালতে (স্বত্ত্ব ঘোষণা সহ বন্টন) ৩৪৭ জনকে বিবাদী করে দেওয়ানি মোকদ্দমা নং ১৯৪/২০২১ ইং মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মোকদ্দমা টি চলমান রয়েছে। প্রতিপক্ষ শাহ আলম খান আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে জোর পূর্বক জব্বার হাওলাদার গংদের কবলা ও রেকর্ডিও মালিকানা প্রায় ২০০ বছরের ভোগদখলীয় জমি দখলের পাঁয়তারা করেন জানান ভুক্তভোগীরা। স্থানীয়রা বলেন , দীর্ঘদিন যাবত জব্বার গংরা জমি চাষাবাদ ও বসতবাড়ি নির্মাণ করে আসছে। কিন্তু শাহ আলম গংরা জমি পাবেনা বুঝতে পেরেই এক শ্রেণীর অসাধু কুচক্রী মহলের দ্বারপ্রান্ত হয়ে শাহ আলম খান গংদের পক্ষের মরিয়ম নামের একজন জমির মালিক সেজে কাগজপত্র বিহীন গত ০২ আগষ্ট ২০২২ ইং তরিকুল ইসলাম আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে বায়না রেজিস্ট্রি করে দেন জব্বার হাওলাদার গংদের ভোগদখলীয় জমি । ক্ষমতাসীনরা ভুয়া বায়না কাগজপত্র পেয়ে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে দেওয়ানি বন্টন মামলা চলমান থাকার পরেও তারা জমি দখলের পাঁয়তারা চালায়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ জব্বার হাওলাদার গংরা প্রশাসনের সহযোগিতা চান। তবে অভিযুক্ত শাহ আলম খান গংরা, উল্লেখিত দেওয়ানি মামলায় এপিয়ার হয়েছেন বলে জানান তারা। মুক্তির সংবাদ