1. admin@dailymuktirshongbadbd.com : Dailymuktirshongbadofficial :
  2. mridapress@gmail.com : mridapress@gmail.com :
মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আপনার সংবাদ প্রচারে বিজ্ঞাপন দিন
শিরোনামঃ
“সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত, সমৃদ্ধ নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মানে শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত// মুক্তির সংবাদ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামের ট্রেইন দুর্ঘটনার অল্পের জন্য রক্ষা পেল। মুক্তির সংবাদ লাকসাম বাকই গ্রামে ৭৮ বোতল ফেনসিডিল ৬ কেজি গাজা সহ আলী কে গ্রেফতার। মুক্তির সংবাদ খুলনা হতে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চোরাইকৃত বৈদ্যুতিক তার সহ চোরচক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬। মুক্তির সংবাদ কুলাউড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে ভারতীয় VODKA মদসহ দুজন গ্রেফতার। মুক্তির সংবাদ যশোরে ১০ কোটি মূল্যের স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক // মুক্তির সংবাদ বিয়ের আগেরদিন হুসনা আক্তার(২৩) নামক এক কিশোরীর অস্বাভাবিক মৃত্যু। মুক্তির সংবাদ এই দেশের কৃষক শ্রমিকের টাকা দিয়ে আজকের বাংলাদেশ। মুক্তির সংবাদ কেএমপি’র গোয়েন্দা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মোটর সাইকেলসহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারঃ মুক্তির সংবাদ বরগুনায় পুলিশ সুপার কার্যালয় পরিদর্শন, ট্রাফিক অফিস এর শুভ উদ্ভোধন করেন- ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান // মুক্তির সংবাদ

বেনাপোলে তীব্র পণ্যজট, খালাসের অপেক্ষায় কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক// মুক্তির সংবাদ

  • আপডেট সময় রবিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩১ এতক্ষন দেখবেন


মোঃ নজরুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি
সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল। প্রতি বছর দেশের সিংহভাগ শিল্প কলকারখানা ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির মালামালের পাশাপাশি কেমিক্যাল, মোটর পার্টস, গাড়ির চেসিসসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানি হয় এ বন্দর দিয়ে।

বছরে এ বন্দর দিয়ে ৪০ হাজার কোটি টাকার মালামাল আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি হয়। সরকারের কোষাগারে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দরে জায়গা সংকট দেখা দিয়েছে। এতে তৈরি হচ্ছে তীব্র পণ্যজট। এতে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনি লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশের স্থল ও রেলপথে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি হয় ভারত থেকে। গত দু’বছর করোনা মহামারি ধকলের পর এ বছর আমদানি বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বন্দরের গুদামে জায়গা সংকটের কারণে চাহিদামতো ট্রাক ঢুকতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে কার্যক্রম। এক্সপোর্ট ইমপোর্ট গেট থেকে বন্দরের গুদাম পর্যন্ত জ্যাম থাকছে প্রতিনিয়ত। ফলে ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করছে ঢিলেঢালা ভাবে।

দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দরে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা না থাকায় ভারতের পেট্রাপোলে প্রতিদিন প্রায় ৪-৫ হাজার আমদানি ট্রাক এক মাসেরও বেশিদিন দাঁড়িয়ে থাকে। ওই ট্রাকের মধ্যে প্রতিদিন ৬০০-৭০০ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করার কথা থাকলেও সেখানে মাত্র ২৫০-৩০০ ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করছে। বাকি ট্রাক আসতে না পারায় আমদানিকারকদের লোকসান গুনতে হয়।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, ১৫০০ কোটি টাকার ১৭৫ একর জমি (নতুন শেড, কন্টিনার টার্মিনাল, হেভি স্টক ইয়ার্ড নির্মাণে জন্য) অধিগ্রহণের বিষয়ে একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরবর্তীতে প্রস্তাবনাটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সবুজ পাতা ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু অদ্যাবধি প্রকল্পটির কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, এ স্থলবন্দরের ৩৪টি গুদাম ও আটটি ইয়ার্ড, দুটি ট্রাক টার্মিনাল ও একটি রপ্তানি টার্মিনাল রয়েছে। কোথাও কোনো জায়গা খালি নেই। তীব্র পণ্যজট চলছে। বর্তমানে বেনাপোল বন্দরের গুদামের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পণ্য আমদানি হচ্ছে। বেনাপোল স্থলবন্দরে যে শেডগুলো আছে সেখানে মালামাল রাখার ধারণ ক্ষমতা বাস্তবে ৫৯ হাজার টন কিন্তু বর্তমানে দুই লাখ টন মালামাল হ্যান্ডলিং হয়। ফলে ভারত থেকে আসা ট্রাকগুলো বন্দরে ৮-১০ দিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে।

বেনাপোল স্থল বন্দরে ১৭৫ একর জমি অধিগ্রহণ পূর্বক সেখানে কমপক্ষে ৩০টি নতুন শেড, হেভি স্টক ইয়ার্ড, কোল্ড স্টোর নির্মাণ জরুরি। তাই এখনই বন্দর সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, আট থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ভারতীয় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। বন্দরের জায়গার মারাত্মক সংকট থাকার কারণে গাড়িগুলোকে অলস দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল স্থলবন্দরের জায়গা সংকটসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাস্তবায়ন করতে বরাবর আবেদন করেও কোনো আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, অন্য সময়ের তুলনায় পণ্য আমদানি-রপ্তানি কয়েকগুণ বেড়েছে। স্থলবন্দরে পণ্যের ধারণক্ষমতা ৫৯ হাজার টন। কিন্তু সেখানে দ্বিগুণের বেশি পণ্য রাখা হচ্ছে। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে আবার গতি ফেরায় আমদানি-রপ্তানিও বেড়েছে। রেল পথেও প্রচুর পণ্য আসছে। এ কারণে পণ্য রাখার স্থান সংকুলান করা যাচ্ছে না। এতে বন্দরে শেড-ইয়ার্ড সংখ্যাও বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে জায়গা অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে। অধিগ্রহণ করা জায়গায় শিগগির ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু হবে। কাজ শেষ হলে বন্দরের পণ্যজটের সংকট অনেকটা কেটে যাবে।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বলেন, প্রতিবছর রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে কিন্তু সে অনুপাতে রাজস্বের উৎস বাড়ছে না। এতে প্রতিবছরই দেখা দিচ্ছে রাজস্ব ঘাটতি। বন্দরের জায়গা বাড়াতে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।
মোবাইল০১৭১২৯৪৭৮৭১

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটেগরির আরও খবর