1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

বরগুনায় আসামীদের গ্রেফতার না করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • খবর পাবলিসের সময় শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে

বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনার বেতাগীতে চোখ তুলে নেওয়ার আসামীদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভিকটিম মিজানুর রহমান স্বপন। এ সময় তাঁর আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিল।
শনিবার দুপুরে বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে স্বপন বলেন, বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার কাউনিয়া বাজারে কাজ শেষ করে রাত অনুমান সাড়ে ১০ টায় বাড়ী রওনা দিয়ে কাউনিয়া ব্রীজের উপর পৌছিলে পূর্ব কাউনিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সোহাগ ও বেল্লাল হোসেন, সত্তার কবিরাজের ছেলে হোচেন আলী, অজেদ হাওলাদারের ছেলে মিরাজ, হালিম তালুকদারের ছেলে আলমগীর ও মুকুন্দ দাসের ছেলে অতুল দাস আমাকে খুন করার জন্য আক্রমন করে। আসামীদের সঙ্গে আমার ধস্তাধস্তিতে হয়। আসামীরা আমাকে খুন করতে না পেরে চাকু দিয়ে আমার বাম চোখ তুলে নেয়। আমি এখন একটি চোখ নিয়ে বেঁচে আছি। এই মামলার প্রধান আসামী সোহাগ কাউনিয়া বাজারে নাভানা ডায়াগনিষ্ট সেন্টার ও সুবিদখালী মডার্ণ ডায়াগনিষ্ট সেন্টার পরিচালনা করে আসছে। প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ায় সোহাগ। অথচ তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীকে গ্রেফতার করছে না। আসামী ফেইস বুক চালায়, ফোন খোলা। পুলিশ খুজে পায় না। স্বপন আরও বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বেতাগীর ছেলে কফি হালদার সজল ও সহিদ সোহাগের পক্ষে পুলিশের নিকট তদ্বির করে। যার কারনে পুলিশ সোহাগকে গ্রেফতার করে না। স্বপন বলেন, আমি ঢাকা একটি পত্রিকা ( প্রথম আলো) অফিসের ড্রাইভার ছিলাম। সেখানের চাকরী ছেড়ে উবারে গাড়ী চালিয়ে পরিবার নিয়ে ভাল ছিলাম। সোহাগের কাছে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা পাই। সেই টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে চোখ উঠিয়ে দেয়। সোহাগের ফোন বন্ধ পেলেও আসামী বেল্লাল হোসেন বলেন, স্বপন একজন চাঁদাবাজ। এই ঘটনার আগে ৩১ আগষ্ট স্বপনের বিরুদ্ধে সোহাগ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। স্বপন মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলে সেই ঘটনা দেখিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। বেতাগী থানার উপপরিদর্শক গৌতম কুমার ঘোষ বলেন, স্বপনের অভিযোগ সঠিক নয়। মামলা হওয়ার পর থেকে সোহাগ পলাতক। বেল্লাল ও হোচেনকে গ্রেফতার করেছি। তারা আদালত থেকে জামিনে আছে। সোহাগকে গ্রেফতার করার জন্য সোর্স নিয়োগ করেছি।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর