1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় পর্যায়ে লিও শাহাদাতের মানবিক অভিযান

  • খবর পাবলিসের সময় বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৬০ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে

মোঃ আছিফুর রহমান

বিশ্বকে ধাক্কা দেয়ার নতুন এক অজানা ভাইরাসের নাম কভিড_১৯।প্রথম ধাপে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রভাব আমাদের জিবন ব্যবস্থাকে থমকে দিয়েছিল। করোনা ভাইরাসের বিধি গুলো না মানার কারণে ভয়াবহ হয়ে দাঁড়িয়েছিল করোনা ভাইরাস।কিছু কিছু মানুষের মধ্যে সচেতনতা না থাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষ নেতৃত্বে করোনা ভাইরাস থেকে সাময়িক মুক্তি পেয়েছে বাংলাদেশ। গবেষকদের মতে শীতের সময় করোনার ২য় পর্যায়ের ঢেউ মারাত্মক আঘাত হানতে পারে। সে সুবাদে সবাইকে সরকারী মোতাবেক স্বাস্হ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।করোনা ভাইরাসে মাস্ক ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়লেও খামখেয়ালী করছে অনেকেই।সেই ধারাবাহিকতায় এই শীতের সিজনে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে লিও শাহাদাত নেমেছেন চট্টগ্রামের অলিগলিতে। জানা যায় লিও শাহাদাত হোসেন রুবেল লিও ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টি ও প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি পদে রয়েছেন।

“আতঙ্কিত নয়,সচেতন হোন,মাস্ক পড়ুন,নিরাপদ থাকুন” এমন দুটি স্লোগানে “No Mask,No Service ” প্রজেক্ট হাতে নিয়েছেন তিনি।ছবির মতো ৫ হাজার স্টিকার ছাপিয়ে নিজ হাতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান,হাসপাতাল,ক্লিনিক,ব্যাংক,বিমা অফিস,কর্পোরেট অফিসসহ অসংখ্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিনি তার তৈরিকৃত স্টিকার লাগিয়ে মানুষের মাঝে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা তিনি হাতে স্টিকার নিয়ে বেরিয়ে পড়ছেন নগরীর অলিতে গলিতে। বাস,টেম্পু,মিনি বাস,প্রাইভেটকার,এ্যাম্বুলেন্সসহ যানবাহনের পিছনে “নো মাস্ক,নো সার্ভিস” স্টিকার লাগিয়ে যাচ্ছেন এবং সেই সাথে লোকজনকে সার্জিক্যাল মাস্ক উপহার দিচ্ছেন।গত ২৮ নভেম্বর থেকে শুরু করা ক্যাম্পেইন বিজয়ের মাসজুড়ে চলবে বলে জানান লিও শাহাদাত।

এদিকে তার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগরীর শিক্ষিত ও সচেতন সমাজ।এ নিয়ে তরুণ সংগঠক আরাফাত এলাহী বলেন, যেখানে মানুষ মাস্কই পরছেনা সেখানে সচেতনতা সৃষ্টি করাতো ভাবাই যায়না।মানুষ এখন বিষয়টিকে একদম হালকাভাবে নিচ্ছে।ফলস্বরূপ আমাদের শহরে করোনা আক্রান্তের হার বাড়ছে।লিও শাহাদাত হোসেন যে উদ্যোগটি নিয়েছে এটি সত্যি প্রসংশার দাবিদার।তার এমন উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই।

এ বিষয়ে প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশনের সভাপতি জিল্লুর রহমান শিবলী বলেন,আমরা সকলেই এখন উদাসীন।লিও শাহাদাত যেমন সচেতন হয়েছে তেমনিভাবে আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক পরিধানের কোন বিকল্প নেই। কেননা মানুষের সর্দি-কাশি থেকে হাঁচি বের হয়।এসময় জীবাণু অন্যের শরীরে প্রবেশ করে। যা থেকে করোনা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ। তাই সকলকে সচেতন হতে হবে। লিও শাহাদাত হোসেন রুবেল এর এই মহৎ কার্যক্রমকে আমি স্বাগত জানাই।

নগরীতে কথা হয় আরেক নাগরিক ফখরুল ইসলাম সোহেল এর সাথে। তিনি তার মতামতে বলেন,শাহাদাত এর ক্যাম্পেইনটি আমাকে অভিভূত করেছে।শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে করোনার সেকেন্ড টার্ম শুরু হয়ে গেছে। মাস্ক পরিধান ও সচেতনতার সময় এখনই।তার এই উদ্যোগে মানুষের মাঝে সচেতনতাবোধ ফিরে আসবে বলে মনে করছি।
শুধু তাই নয় লিও শাহাদাত হোসেন রুবেল এর এই ব্যতিক্রমী চিন্তাকে ডাক্তার, প্রকৌশলী,ব্যাংকার,চাকুরীজীবি, শ্রমজীবি সকলেই ইতিবাচক হিসাবে গ্রহণ করেছেন।

এ নিয়ে উদ্যোক্তা শাহাদাত হোসেন রুবেল এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, পথে ঘাটে দেখছি কেউ মাস্ক পরিধান করছে না।মাস্ক ছাড়া এদিক ওদিক ঘুরাঘুরি করছে।যা আপনি আমি সকলের জন্য অনিরাপদ। সরকার মাস্ক ছাড়া ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করেছে এবং মাস্ককে বাধ্যতামূলক করেছে।তবুও যেন কারো কথা কানে যাচ্ছে না।তাই সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে সচেতনতামূলক বাক্য বিশিষ্ট ৫ হাজার স্টিকার ছাপিয়ে নিজে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনে লাগাচ্ছি।পাশাপাশি মানুষকে মাস্কও উপহার দিচ্ছি। এটি আমার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আমি সকলকে মাস্ক পরিধান ও সচেতন হওয়ার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর