1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

ঝিনাইগাতীতে করোনা অনুদান পাওয়া যায় তাই বাড়ছে মাদ্রাসা!

  • খবর পাবলিসের সময় মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ১২৯ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে


শেরপুর প্রতিনিধি :
করোনার প্রথম ধাপে অনুদানপ্রাপ্ত ও অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসায় কর্মরত শিক্ষকদের তথ্য এবং মাসিক অনুদান প্রাপ্তির আবেদন আহ্বান করা হয়। এরপর থেকেই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে অধিদপ্তরে যে তালিকা পাঠানো হয় তাতে অনুদানপ্রাপ্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা ছিল ২৬টি। এখন এ সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫৬টি। বর্তমানে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা চালুর হিড়িক পড়ে গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এরশাদ সরকারের আমলে অনেক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এগুলোর বেশির ভাগ পরে চালু হয়নি। ছিল কাগজ-কলমে। তবে এখন সরকারি অনুদান হিসেবে বেতনভাতা পাওয়ার আশায় এগুলো চালু দেখানো হচ্ছে সুধু মাত্র কাগজে কলমে এর পিছনে কাজ করছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসাররা। টাকার বিনিময়ে করোনাকালীন অনুদান বিভিন্ন মাদ্রাসায় প্রদান করছে। এ ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান। সরকারি এসব তথ্যের সত্যতা খুঁজতে গত রোববার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত মাদ্রাসাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন ও অনুসন্ধান করা হয়। প্রথমেই পরিদর্শন করা হয় উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের হলদীগ্রাম স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা। সকাল ১০টায় দিকে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসা ঘরের বাহিরে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সাইন বোর্ড ভিতরে রিয়াজুল জান্নাত মহিলা কওমি মাদ্রাসা। আসলে কোনটি সঠিক হবে ওই মাদ্রাসার জনৈক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, প্রকৃত পক্ষে এ মাদ্রাসাটি রিয়াজুল জান্নাত মহিলা কওমি মাদ্রাসা। ইতিমধ্যেই সরকার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিও’র কথা ঘোষণা দেওয়ায় আমরা কিছু শিক্ষক মিলে কাগজ পত্র তৈরি করে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে ১৯৮১ সাল থেকে এর স্থাপিত দেখিয়েছি। যাতে এমপিও হয়। এছাড়াও উপজেলার বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা তালিকা মোতাবেক গিয়ে কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু মাঝে মধ্যেই ওই মাদ্রাসার শিক্ষকরা অন্যান্য শিক্ষকের কাছে চাঁদা নিয়ে ঢাকায় আন্দোলনে যান। যা বাস্তব চিত্র সরেজমিনে দেখা গেছে। একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক জানায়, গ্রাম গঞ্জে এবং একই গ্রামে ২/৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারী করণ হওয়ায় অনেক বিদ্যালয় ১০/১৫ জন ছাত্র নিয়ে নিয়মিত বেতন ভাতা খাচ্ছে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো এমপিও হলে ছাত্র ছাত্রী পাবে কোথায় তারা। যেহেতু প্রাইমারী লেভেলে ওই মাদ্রাসা গুলোর ক্লাস চলবে। সেই কারণে সারা দেশে সঠিক ভাবে জরিপ ও তথ্য চালিয়ে মাদ্রাসা স্থাপন করা উচিত। নচেত শুধু সরকারের অর্থ গচ্চা যাবে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর