1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

ফ্রি পোর্ট মুখ থেকে আনন্দ বাজার পর্যন্ত ভুয়া রুট পারমিট ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ এইচ পাওয়ার/ অটোটেম্পু /টম টম থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • খবর পাবলিসের সময় বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪২ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে

এস এম কায়সার আশ্রাফীঃচট্টগ্রাম ব্যুরো।।
চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর ইপিজেড দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ৩৮নং ওয়ার্ডের ইপিজেড গেইট সংলগ্ন
কলসী দিঘীর ফ্রি পোর্ট মুখ শুরু রাস্তা/ রোডের ডান পার্শ্ব দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ
এইচ পাওয়ার/অটো টেম্পু/ টম টম স্ট্যান্ড। সরু এ রাস্তাটি এখন বোজা হয়ে দাড়িয়েছে। রোড
পারমিট বাতিল হাওয়া অবৈধ এইচ পাওয়ার /অটো টেম্পু/ টম টম যেখানে বীরদর্পে চলাচল
করছে। বিআরটিএ থেকে বাতিল ঘোষনা হওয়া আনন্দ বাজার হইতে কলসী দিঘী হইয়া ইপিজেড
এর দিকে আসা রাস্তাটির মুখে ট্রাফিক পুলিশ থাকলেও এইচ পাওয়ার/ অটোটেম্পু/ টম টম
চালিত চালকদের দেওয়া টাকার চশমা পড়ে অন্ধের ভুমিকা পালন করে তারা। এইচ পাওয়ার /অটো
টেম্পু/ টম টম চালকে দৈনিক গুনতে হয় ১৮০/২০০ টাকা মাসিক চাঁদা ১০০০/- নিয়ে অবৈধ
এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম চলাচলে বৈধতা ট্রাফিক পুলিশ দিলেও এর খেসারত গুনতে হয়
সাধারণ পথচারীদের সরেজমিনে দেখা যায় নগরীর ফ্রি পোর্ট মোড়ের পার্শ্বে কলসী দিঘীর সরু
রাস্তাটির এক পাশে দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড সেখানে সারিবদ্ধভাবে যাত্রীদের জন্য
দাড়িয়ে থাকে বৈধতা হারিয়ে ফেলা এইচ পাওয়ার /অটোটেম্পু/ টম টম। তবে সেখানে কিছু
নতুন এইচ পাওয়ার, অটো টেম্পু, টম টম চলাচল যাতে নির্ভিগ্নে হয় সেজন্য স্ট্যান্ডে লাঠি
হাতে নিয়ে ডিউটি করতে দেখা যায় ৩/৪ জন লাইনম্যানকে। আর এই লাইনম্যানদের কাজ হলো
এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম থেকে প্রতিদিনের চাঁদার টাকা কালেকশন করা এবং চালকদের
ট্রাফিক পুলিশি ঝামেলা থেকে মুক্তি দেওয়া। মূলত ইপিজেড কর্মরত শ্রমিকদের টার্গেট করে
সেখানে গড়ে উঠেছে এ অবৈধ স্ট্যান্ড কেননা প্রতিদিন এই রাস্তাটি ব্যবহার করে ইপিজেড
কর্মরত লাখ শ্রমিক। ফলে গার্মেন্টস ছুটি হলেই এই সড়কটি পরিণত হয় নরকে। শুধুমাত্র ফ্রি-
পোর্ট থেকে কলসী দিঘীর রাস্তাটিতে প্রবেশ করতে যানজটের সময় ব্যয় হয় প্রায় ১ ঘন্টা যার
ফলে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এই এলাকার বসবাসকারী বাসিন্দাদের। এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিক দৈনিক মুক্তির সংবাদের প্রতিবেদককে জানান ইপিজেড পাশে
হওয়াতে শ্রমিকরা যাতায়াতের সুবিধার জন্য কলসী দিঘীর পাড়ের আশে পাশে গড়ে ওঠা ভাড়া
বাসাগুলোতেই থাকেন। যার ফলে এই এলাকায় বসবাসরত বেশির ভাগই শ্রমিক। এক সময় এই
সড়কটিতে শুধু রিক্সা চলত। তখন রাস্তায় এমন যানযট ছিল না। কিন্তু এখন মানুষের তুলনায় গাড়ীর
সংখ্যা বেশী। গাড়ীর জন্য এই রাস্তায় এমন যানজট ছিল না। কিন্তু এখন মানুষের তুলনায় গাড়ীর
সংখ্যা বেশী। গাড়ীর জন্য এ রাস্তায় এখন চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আগে রিক্সায় করে পকেট
গেইটের মুখে যাওয়া যেত, আর এখন পায়ে হেটে যেতে হয়। কেননা রাস্তাটিতে গাড়ীর পরিমান
এতো বেশী বেড়েছে যে, গাড়ীই জ্যামে পড়ে থাকে। প্রতিদিন অতিরিক্ত গাড়ীর জন্য সৃষ্টি হয়
এ যানজটের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হয় এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের নাম প্রকাশে
অনিচ্ছুক এক সিএনজি/ইজিবাইক/ ব্যাটারী চালিত এইচ পাওয়ার টম টম অটোটেম্পু চালক
আমার সময় প্রতিবেদককে বলেন এ রাস্তায় এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম চালাতে হলে
সর্বপ্রথম লাইনে ঢুকাতে চাঁদাবাজ বিপ্লবকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা ও প্রতিদিন
১৮০/২০০ টাকা এবং গাড়ী প্রতি মাসিক ১০০০/- টাকা করে চাঁদা দিতে হয় এবং সব
মিলিয়ে ২০০/- টাকার বেশী দৈনিক চাঁদা দিতে হয়। চাঁদার টাকা না দিলে ট্রাফিক পুলিশ
গাড়ী ধরে বক্সে নিয়ে যায় এবং টাকার বিনিময় ট্রাফিক পুলিশ গাড়ী ছেড়েও দেয় বলে
অভিযোগ রয়েছে এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম ড্রাইভারদের।
এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম চালিত গাড়ী রয়েছে ২০০ এর বেশী তাই এজন্য রাস্তায় গাড়ী
চালাতে হলে বাধ্য হয়ে চাঁদার আওতায় আসতে হয় চালকদের। চাঁদার টাকা কে নেয় জানতে চাইলে
এক চালক জানায় বিপ্লব, ইলিয়াছ, এমরান আরেকজন আছে আমরা তাকে চিনি না। এ টাকার
ভাগ কারা পায় জানতে চাইলে এ চালক আরো জানায় ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা পায় বলে
শুনেছি। আর টাকা না পেলে কি ট্রফিক পুলিশ রেজিষ্টার ফিটনেসবিহীন টম টম/অটোটেম্পু/
এইচ পাওয়ার অবৈধ গাড়ী চালাতে দিতো?
এ বিষয় বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি দৈনিক মুক্তির সংবাদ পএিকার প্রতিবেদককে বলেন কেউ যদি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করে অভিযোগ পেলে
তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়াও অবৈধ এইচ পাওয়ার/অটোটেম্পু/ টম টম এর বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয় ইপিজেড মোড় পুলিশ বক্সে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মোঃ সেলিম এর
নিটক জানতে চাইলে তিনি জানান গাড়ী ধরে নিয়ে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া বিষয়টি
সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, আমাদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য কোন চক্র এটা

করতে পারে। তিনি আরো জানায় রোডে চাঁদাবাজি করা মানেই ক্রাইম করা। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা
স্থানীয় থানায় অভিযোগ দিলে আমি ওসি সাহেবকে বলে দিবো।
এবিষয়ে আগ্রাবাদ জোনের ট্রাফিক অফিসে প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা টিআই মশিউর
রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান চাঁদাবাজির অভিযোগ পেলে জরুরী ভিত্তিতে
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে অটোটেম্পু শ্রমিকদের ১৪৪১ নং সংগঠনের সভাপতি হাজী মোঃ কামাল উদ্দীনের
নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান বিপ্লব সংগঠনের সহ-সভাপতি তিনি আমাদের সংগঠ নের
নিয়ম কানুন কিছুই মানে না বেপরোয়াভাবে চলাফেরা করে। তিনি আরো জানান অফিস খরচের
জন্য গাড়ী প্রতি ১০ টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও এই করোনার মধ্যেও সেটা বন্ধ রয়েছে। উক্ত
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানায় ১৩৯টি সংগঠন রয়েছে কে
কোথায় কি করে তা আমার জানা সম্ভব না।এসব চাঁদাবাজির বিষয় নিয়ে স্তানীয় কাউন্সিলর গোলাম মোহামমদ চৌধুরীর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন এসব ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই এগুলো প্রশাসনের দেখা শুনা জানার কথা আমাদের কাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীকে দমন করা না।।।।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর