1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

চট্রগ্রাম বিআরটিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর নামে চাঁদাবাজি।

  • খবর পাবলিসের সময় বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৭১ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ জুবাইর চট্রগ্রাম।
১২/১১/২০২০ইং

চট্রগ্রাম বিআরটিএ- ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফাইল জমা করার সময় প্রার্থীকে হয়রানি ও চাঁদা দাবি

১২/১১/২০২০ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ডাক্তার রেজাউল করিম নিজে ফাইল জমা করতে যায়।

ফাইল জমা নেওয়ার সময় উনাকে (দালাল)মোহাম্মদ হেলাল বিভিন্ন রকম ভাবে হয়রানি করে প্রথমে জাতীয় পরিচয় পত্রের অরজিনাল কপি চাই পরবর্তীতে শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট চাই।জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদর্শন করার পরেও উনার ফাইল জমা নেয়া হয় নি ঠিক তখন ডাঃ রেজাউল করিম সাংবাদিক মোহাম্মদ জুবাইরকে বলেন যে আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কাগজ পএ যা যা দেয়ার সব কিছু বুজিয়ে দেয়ার পড় ও (দালাল) মোহাম্মদ হেলাল এক পর্যায়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন পরবর্তীতে সাংবাদিক মোহাম্মদ জুবাইর এর সহযোগিতায় ( দালাল) মোহাম্মদ হলাল আবার শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট এনে ফাইল জমা নেয়। ফাইল জমা দেওয়ার পরে ওনাকে দালাল হেলাল বলেন এই ফাইল কে সহযোগিতা করেছে কার ফাইল এটাতে কোন মার্ক নাই কেন। এ কথা বলার পর ডঃ রেজাউল করিম মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সাংবাদিক জুবাইর এর সাথে যোগাযোগ করেন। এবং হেলাল নামের ব্যক্তি বলেন এই কার্ড কে পাস করিয়েছে। এবং ফাইল জামার জন্য অফিস খরচ বাবদ টাকা দাবি করেন। এই হেলালকে টাকা চাওয়ার জন্য কে পারমিশন দিয়েছে । এদের মূল হোতা কে প্রশ্ন থেকে যায় ওরা কি বিআরটিএর কর্মচারী নাকি চেয়ার টেবিলে বসা দালাল চক্রের গডফাদার। প্রতিদিন এদের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা কালেকশন হয় এই টাকা যায় কোথায় সরকারি যাওয়ার পরেও কিসের টাকা গুলা ভিতরে চেয়ার-টেবিলে প্রত্যেকটা সেকশনে বসে থাকে এভাবে টাকা কালেকশন কারি এদেরকে বসাইছে প্রশ্ন থেকে যায়।এদের হয়রানির কারণে সাধারণ মানুষ বিআরটিএ অফিসে প্রবেশ করতে আগ্রহ হারিয়েফেলে বাধ্য হয়ে দালালের সহযোগিতা নিতে হয়।

বিআরটিএর ভিতরে চেয়ার টেবিলে বসে পাবলিককে হয়রানি করে বাধ্য করে এদের সহযোগী দালালের মাধ্যমে কাজ করাতে। পাবলিক সরাসরি গেলে সে কাজেও এ হেলালরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। যাতে পাবলিক ওদের দলের দালালের মাধ্যমে কাজ করায়।

সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বিআরটিএতে দালাল-চোরদের বিরুদ্ধে বারবার অভিযান পরিচালনা করলেও কোন সুফল আসেনা কারণ বিআরটিএর ভিতরে টেবিল চেয়ারে বসায় দালাল লালন পালন করে।

সাধারণ মানুষ এসব দুর্নীতি থেকে মুক্তি চায় কিন্তু আদৌ মুক্তি মিলবে কি ?

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর