1. muktirshongbad@gmail.com : 20dailymuktirshongbadbd.com :
  2. mdkaiumjsc01643@gmail.com : Kaium Hossain :
  3. ramjanbhuiyan84@gmail.com : ramjanbhuiyan :
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
বহুল জনপ্রিয় দৈনিক মুক্তির সংবাদ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।  বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়,দৈনিক মুক্তির সংবাদ পত্রিকা সংবাদকর্মী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায়, উপজেলায়, জেলা ব্যুরো প্রধান ও বিভাগীয় ব্যুরো প্রধানে কাজ আগ্রহী প্রার্থীগণ সিভি পাঠাতে পারেন। ন্যূনতম যোগ্যতা এস এস সি পাশ।চূড়ান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়া:রিক্রুটিং টিম কোন প্রকার একাডেমিক পরীক্ষার ফল বিবেচনা করবে না। কর্মঠ, সৎ ও কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত প্রার্থীদের বাছাই করা হবে।E-mail :  muktirshongbad@gmail.com যোগাযোগ নাম্বার:01752602939/01710006400 ।সম্পাদক ও প্রকাশক,মোঃ মাসুদ মৃধাঃ 01933609066

বন্দরে ‘কিশোর গ্যাং’র বলি ২ শির্ক্ষাথীর পর এবার সাংবাদিক ইলিয়াস

  • খবর পাবলিসের সময় বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮২ বার পোস্টটি পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার// নারায়ণগঞ্জ নগরীর দেওভোগের ত্রাস সাইফুল ইসলাম তুহিন ওরফে চাপাতি তুহিনের ক্রসফায়ারের পর ‘কিশোর গ্যাং’ তেমন আলোচনায় আসেনি। গত ১০ আগস্ট বন্দর উপজেলার দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় আবারও আলোচনায় কিশোর গ্যাং। এই ঘটনার পর সামনে এসেছে বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি এলাকার শাকিলের নাম। এরপর সাংবাদিক ইলিয়াস হত্যাকান্ডের ঘটনায় যে মামলা হয়েছে তার বেশির ভাগ আসামীই কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্য। বন্দরে সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত করে হত্যার ঘটনায় ৮জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে। এরা হলো, তুষার, মিল্লাত আলী ও মিসির আলী। কিশোর গ্যাং গ্রুপের সদস্য তারা। তুষার, তর্যয়দের আশ্রয় ও প্রশ্রয় দাতা কারা তা সুষ্ঠ তদন্তের দাবী সচেতন মহলের।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে বন্দরের কলাগাছিয়া ইউনিয়নের জিওধারা চৌরাস্তায় ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয় সাংবাদিক ইলিয়াসকে৷ সে ওই এলাকার মজিবর মিয়ার ছেলে৷ স্থানীয় দৈনিক বিজয়ের নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত ছিলেন ইলিয়াস৷
সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ওই রাতে বন্দর থানায় একটি মামলা করেন৷ মামলায় ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে৷ আসামীর বেশির ভাগই কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক আসামি তুষারকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে স্থানীয়রা৷ পরে অভিযান চালিয়ে মিল্লাত আলী ও মিসির আলী নামে আরও দুইজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে জানান বন্দর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম৷
পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের দেওয়া তথ্যমতে, নিহত সাংবাদিক ইলিয়াস মৃত জামান মিয়ার দুই ছেলে তুষার ও তুর্যের অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদানের সাথে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে পত্রিকায় লেখালেখি করেছিলেন। এ ঘটনায় আটকও হয়েছিল তারা। এর জের ধরেই ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ পরিবারের। স্থানীয়রা জানান, রোববার রাত ৮টার দিকে সংবাদকর্মী ইলিয়াসকে ছুরিকাঘাত করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়।
অপরদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্দরের একরামপুরের ইস্পাহানি এলাকার মৌসুমি ফল ব্যবসায়ী মো. সালামের ছেলে মো. শাকিল। শাকিল একরামপুর এলাকার একটি কিশোর গ্যাংয়ের লিডার। তার নেতৃত্বে ওই এলাকায় নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘটিত হচ্ছে। শাকিলের ভাই স্থানীয় একটি গ্যারেজ মালিক মো. শামীম ভাইয়ের গ্যাং পরিচালনায় সহযোগিতায় করেন। এই দলটিকে নেপথ্যে থেকে পরিচালনা করেন যুবলীগ নেতা শামীম। শামীম ২৩নং ওয়ার্ডের যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদক ছিলেন।
সূত্রটি আরও জানায়, শাকিলের নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংটি ইস্পাহানি, একরামপুর, সিএসডি গেইট এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে বেড়ায়। এই গ্যাংয়ের সদস্যের আড্ডার স্থান হচ্ছে শাকিলের আপন ভাই শামীমের রিকশা গ্যারেজ। এইসব কিশোর সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রায়ই ‘ছোট ভাই বড় ভাই’ বলা নিয়ে বিভিন্ন কিশোর ও যুবক ছেলেদেরকে লাঞ্চিত ও মারপিট করে থাকে। একই ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে গত ১০ আগস্ট ইস্পাহানি ঘাটে। যার নির্মম শিকার হতে হয়েছে মিয়াদ ও জিসান নামে দুই শিক্ষার্থীর।
গত ১০ আগস্ট বন্দরের ইস্পাহানি ঘাট এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলা থেকে বাঁচতে নৌকা থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ হয় দুই শিক্ষার্থী। পরে তাদের লাশ মেলে নদীতে। ইস্পাহানি এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ইস্পাহানি এলাকার শামীমের ইন্ধনে কিশোর গ্যাং লিডার শাকিল ও তার ভাই শামীমসহ অন্যরা আরসিম এলাকার অন্তর, আকিল ও শান্ত গ্রুপের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। ওই সময় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আলভীর (মিয়াদের খালাতো ভাই) সাথে ঘটনাস্থলে ছিল জিসান ও মিয়াদ নামে ওই দুই শিক্ষার্থী। এক পর্যায়ে ইস্পাহানি ঘাট সংলগ্ন তীরে বাঁধা একটি নৌকায় ওঠে জিসান ও মিয়াদসহ আরও কয়েকজন। হামলা করার উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ কিশোর গ্যাং গ্রপটিও ওই নৌকায় উঠে। পরে নৌকা থেকে নদীতে ঝাপ দেয় কয়েকজন। তাদের দেখাদেখি নিজেদের বাঁচাতে নদীতে ঝাপ দেয় মিয়াদ ও জিসান। অন্যরা তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে মারা যায় তারা।
এ ঘটনায় নিহত জিসানের বাবা বন্দর প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজিম আহম্মেদ এজাহারনামীয় ১৩ জনসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। ওই মামলার আসামি কিশোর গ্যাং লিডার শাকিল, তার ভাই শামীম এবং নেপথ্যের নায়ক শামীম ওরফে বড় ভাই শামীম। ইস্পাহানি এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার শাকিল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে এর আগেও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি শাকিল ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কদমরসূল বিশ্ববিদ্যালয় এন্ড কলেজ এর ছাত্র আরিফুল ইসলাম জয়ের দাদী। সেদিন কলেজ ছাত্র জয়কে কিশোর গ্যাং লিডার শাকিলের নেতৃত্বে ইস্পাহানি এলাকার হাসান, রবিন, হাবিব, ইমন, শান্তসহ অজ্ঞাত আরও প্রায় ১০/১৫ জন লোহার রড, শাবল, ক্রিকেটের স্ট্যাম্প দিয়ে কলেজ ছাত্র জয়কে এলোপাথারি মারপিট করে আহত করে। এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়। ওই চক্রের সাথে ইলিয়াস হত্যাকান্ডের মূলহোতারা জড়িত বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। বন্দরে কিশোর গ্যাং ধমাতে র্যাবের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা বন্দরবাসীর।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরও খবর